ইনাতগঞ্জ বার্তা ডেস্কঃ আওয়ামী লীগের পুনর্বাসনের কোনো চেষ্টা বরদাশত করা হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হক।তিনি বলেন, এ দেশের তৌহিদি জনতা তাদের বিদায় করেছে, তাদের পুনর্বাসনের কোনো চেষ্টা বরদাশত করা হবে না। যদি দেশে আওয়ামী লীগকে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা করা হয়, তাহলে তা আমাদের লাশের ওপর দিয়ে করতে হবেশুক্রবার (২১ মার্চ) জুমার নামাজের পর রাজধানীতে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের উত্তর ফটকে বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে এই হুঁশিয়ারি দেন মামুনুল হক। ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরায়েলি হামলা, গণহত্যা ও ভারতের মুসলমানদের ওপর আগ্রাসনের প্রতিবাদে এই সমাবেশ করা হয়। এর আগে সেখান থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করে খেলাফত মজলিস। ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরায়েলি বর্বর হামলা ও গণহত্যার প্রতিবাদে মিছিলটি বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। একই দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে খেলাফত মজলিস ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শাখাবাইতুল মোকাররম মসজিদের উত্তর গেটে জুমার নামাজ শেষে তারা এই বিক্ষোভ মিছিল করে। এ সময় তারা নানা স্লোগান দিতে থাকেন। পরে তারা একটি মিছিল নিয়ে পল্টন মোড়ের দিকে চলে যায়।
ইসলামী দলগুলোর ডাকা বিক্ষোভ মিছিলকে ঘিরে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররম এলাকায় সতর্ক অবস্থানে থাকতে দেখা যায় যৌথ বাহিনীর সদস্যদের। পল্টন মোড়ে রাখা হয় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের জলকামান, এপিসি কার ও দুইটি প্রিজন ভ্যান।
এছাড়া বায়তুল মোকাররম মসজিদের প্রবেশমুখে অবস্থান নেয় পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা। আর নাইটিঙ্গেল মোড়ে বিজিবি সদস্যদের অবস্থান করতে দেখা গেছে। মসজিদে প্রবেশের সময় মুসল্লিদের সঙ্গে থাকা ব্যাগ তল্লাশি করতে দেখা গেছে পুলিশ সদস্যদের। এ ছাড়া সাদা পোশাক ও মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের বিপুলসংখ্যক সদস্য জ্যাকেট পরে অবস্থান নেয়।
হেফাজতের সমাবেশে মাওলানা মামুনুল হক আরও বলেন, আমরা সরকারের কাছে আহ্বান জানাব, তারা যেন গণহত্যা বন্ধে জাতিসংঘসহ অন্যান্য দেশের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্কের মাধ্যমে উদ্যোগ গ্রহণ করে। আর ভারতকে বলব, যদি আওরঙ্গজেবের সমাধিস্থলে হাত দেওয়া হয়, তাহলে এ দেশের মুসলমানরা বসে থাকবে না। প্রয়োজনে আওরঙ্গজেবের সমাধিস্থলের দিকে লংমার্চ করা হবে।
সমাবেশে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের নায়েবে আমির আহমেদ আলী কাসেমী বলেন, গাজায় ফিলিস্তিনিদের ওপর যে বর্বর হামলা চালানো হয়েছে, আমরা তার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। তিনি ভারতে মুসলমানদের ওপর আগ্রাসন বন্ধের দাবি জানিয়ে বলেন, ভারত শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দিয়ে বাংলাদেশের মানুষের সঙ্গে গাদ্দারি করেছে। বাংলাদেশে আওয়ামী লীগকে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা হলে তা ছাত্র-জনতা প্রতিহত করবে।
সমাবেশে হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় নেতাদের পাশাপাশি ঢাকা মহানগরের নেতারাও বক্তব্য দেন।।।
Leave a Reply