1. admin@inathganjbarta.com : inathganjbarta :
  2. iqbalpress02@gmail.com : ইকবাল তালুকদার : ইকবাল তালুকদার তালুকদার
  3. manna820@gmail.com : আলী জাবেদ মান্না। : আলী জাবেদ মান্না।
  4. masudsikdar26@gmail.com : Masud Sikdar : Masud Sikdar
শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ১০:০৩ অপরাহ্ন

আজমিরীগঞ্জে কৃষি জমির মাটি খুবলে খাচ্ছে যন্ত্রদানব, নিশ্চুপ প্রসাশন

  • আপডেটের সময়: সোমবার, ১০ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
  • ৭০ ভিউ

এস কে কাওছার আহমেদ,আজমিরীগঞ্জ।। আজমিরীগঞ্জ উপজেলায় শীতের শুরু থেকে বিভিন্ন হাওরে সরকারি, বেসরকারি, ব্যাক্তি মালিকানাধীন কৃষি জমির উপরিভাগের মাটি এক্সোভেটর (ভেকু) দিয়ে কেটে চলছে বিক্রি, পুকুর খনন ও বসত ভিটা নির্মাণ কাজ।

 

গত তিন মাসের বেশি সময় ধরে কৃষি জমি থেকে যন্ত্রদানবের মাধ্যমে এভাবে মাটি উত্তোলন, জমির শ্রেণী পরিবর্তন করা ব্যাপক আকার ধারণ করলেও এ বিষয়ে অনেকটাই ভ্রুক্ষেপহীন সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন ভুমি কর্মকর্তাসহ উপজেলা প্রশাসন।

বিশেষ করে উপজেলার শিবপাশা, বদলপুর ও কাকাইলছেও ইউনিয়নের বিভিন্ন হাওড় ও গ্রামের পাশের কৃষি জমির মাটি খননে এই যন্ত্রদানবের তান্ডব যেন রোজকার নিয়মে পরিনত হয়েছে।

সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী সরকারি খাঁস ভুমি থেকে মাটি উত্তোলনের ক্ষেত্রে অনুমোদন নেয়া কিংবা ব্যাক্তি মালিকানাধীন কৃষি জমিকে পুকুর বা ভিটায় রুপান্তরিত করতে হলে সংশ্লিষ্ট ভুমি অফিসে আবেদনের মাধ্যমে শ্রেণী পরিবর্তনের অনুমতির বিধান থাকলেও মাটি উত্তোলন ও জমির শ্রেণী পরিবর্তনকারীরা তা মানছেন না। এমনকি মাঝে মধ্যে নামমাত্র অর্থদন্ডে এরা যেন আরো হয়ে উঠছে বেপরোয়া।

 

অভিযোগ রয়েছে ভুমি অফিস ও সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন ভুমি অফিসের কিছু অসাধু কর্মচারী এসব মাটি উত্তোলনকারীদের কাছ থেকে অবৈধ সুবিধা নিয়ে তাদের মাটি উত্তোলনের বিষয়টি গোপন রাখেন।

এতে করে কৃষি জমি বিলুপ্তির পাশাপাশি কৃষি জমির ফসল উৎপাদনের উর্বরতা হারাচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় কৃষকরা।

তবে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন ভুমি অফিসের কিছু কর্মকর্তার দাবী যখনই খবর পান তখনই গিয়ে তারা ফসলি জমির মাটি কাটায় বাঁধা প্রদান করে আসেন। আবার মাটি কাটার বিষয়ে অবগতই নন অনেক কর্মকর্তা।

উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর বলছে, অপরিকল্পিত ভাবে জমির উপরিভাগ কাটার ফলে জমি তার উর্বরতা শক্তি হারায়। এবং কৃষি জমির এমন শ্রেণী পরিবর্তন উপজেলায় কৃষি জমির পরিমাণ কমে আসবে।

উপজেলার বেশ কটি হাওড় ঘুরে দেখা গেছে, ভেকু মেশিন দিয়ে কোথাও চলছে কৃষি জমির শ্রেণী পরিবর্তন আবার কোন কোন হাওড়ে চলছে সরকারি খাঁস ভুমি থেকে মাটি উত্তোলন করে বিক্রি৷

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাদিক কৃষক জানান মাটি উত্তোলন কারীরা প্রভাবশালী হওয়ায় ভয়ে অনেকেই এর প্রতিবাদ করেন না। এভাবে মাটি উত্তোলনের ফলে কৃষি জমির উর্বরতা হারানোর পাশাপাশি সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আদায় থেকে বঞ্চিত হচ্ছে বলে জানান তারা৷

উপজেলার শিবপাশা ইউনিয়নের ভুমি কর্মকর্তা সিদ্দিক মিয়া ও কাকাইলছেও ইউনিয়নের ভুমি কর্মকর্তা আবেদ আলী জানান, ইউনিয়নের কোন হাওড়ে মাটি কাটা হচ্ছে বলে উনাদের জানা নেই।

বদলপুর ইউনিয়নের ভুমি কর্মকর্তা মো.সালাম মিয়া বলেন,হিলালপুরের পাশে শ্রেণী পরিবর্তন করে পুকুর নির্মানের বিষয়টি জানার পর আমি সরজমিনে গিয়ে বাঁধা প্রদান করে আসি এবং ঝিলুয়া হাওড় থেকে মাটি কাটতে তাদের নিষেধ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কি পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে জানতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নিবিড় রঞ্জন তালুকদারের মুটোফোনে একাধিকবার কল করা হলে তিনি কল রিসিভ করেননি। এরপর উক্ত বিষয়ে ক্ষুদেবার্তা পাঠালেও উনার কোন মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

 

দৈনিক ইনাতগঞ্জ বার্তা / ইকবাল

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা অথবা ভিডিও কপি করা সম্পূর্ণ বেআইনি @2025
Desing & Developed BY ThemeNeed.com