বার্তা ডেস্ক।। প্রাকৃতিক ও খনিজ সম্পদে সমৃদ্ধ সীমান্তিক জনপদ সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার উৎপাদিত বিভিন্ন শাক-সবজি রপ্তানীর পাশাপাশি প্রতি বছরের ন্যায়ে চলিত বছর দেশের বিভিন্ন স্থানে তরজুম রপ্তানী কাজ শুরু করা হয়েছে। গোয়াইনঘাটে চলিত বছরে শীত কালীন বিভিন্ন শাক-সবজি উৎপাদনের পাশাপাশি এবার তরমুজের বাম্পার ফলন হয়েছে।
উপজেলার পূর্ব জাফলং, পূর্ব আলীরগাঁও, পশ্চিম আলীরগাঁও ও সদর ইউনিয়নের পতিত অনাবাদী জমিতে তরমুজ চাষাবাদ করা হয়েছে। এছাড়া উপজেলার অন্যান্য ইউনিয়ন গুলিতে টুকটাক তরমুজের চাষ হয়েছে। তবে বেশি তরমুজ চাষাবাদ হয়েছে উপজেলার পূর্ব জাফলং ও পূর্ব আলীরগাঁও ইউনিয়নে। উপজেলা কৃষি অফিসের উৎসাহ-উদ্বীপনায় স্থানীয় কৃষকরা তরমুজ চাষে এগিয়ে এসেছেন। গোয়াইনঘাট উপজেলার অর্থনৈতিক উন্নয়নে ব্যাপক ভাবে তরমুজ ফসল অবদান রাখছে। কয়েক হাজার পরিবার তরমুজ চাষাবাদ করে অর্থনৈতিক ভাবে অনেকটা লাভবান হয়েছেন। সিলেট সহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে পাইকারগণ কৃষকদের মাঠ থেকে তরমুজ ক্রয় করে নিয়ে যাচ্ছেন।
উপজেলা কৃষি অফিস সুত্রে জানা যায়,চলতি মৌসুমে উপজেলার ৪৬৫ হেক্টর অনাবাদি জমিতে তরমুজের চাষ হয়েছে। যা গত বছরের তুলনায় দীগুণ। উপজেলা কৃৃষি অফিসের সঠিক তদারকিতে উপজেলার পতিত অনাবাদী জমি’তে তরমুজ উৎপাদন বেশি হওয়ায় কৃষকরা এবার মহাখুশি হয়েছেন। ইতিমধ্যে মাঠ থেকে সরাসরি তরমুজ বিক্রয় ও বাজার জাত প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে। প্রথম ধাপের উৎপাদিত তরমুজ বিক্রি প্রায় শেষ পর্যায়ে,চলছে দ্বিতীয় পর্যায়ের তরমুজ বিক্রির প্রস্তুতি।
উপজেলা কৃষি অফিসার রায়হান পারভেজ রনি বলেন, চলিত বছরে উপজেলায় ৪৬৫ হেক্টর পতিত অনাবাদী জমিতে শীত কালীন অন্যান্য শাক-সবজি উৎপাদনের পাশাপাশি তরমুজ চাষাবাদ করা হয়েছে। তিনি জানান, পরিবেশ ও আবহাওয়া ভালো থাকায় এই বছর তরমুজ ফলন উৎপাদন ভালো হওয়ায় কৃষকরা অনেক খুশি হয়েছেন। তরমুজ উৎপাদনে অর্থনৈতিক ভাবে কৃষকরা অনেক লাভবান হচ্ছেন। উপজেলা কৃষি অফিস থেকে সরকারি বরাদ্দের সবরকম সুযোগ সুবিধা কৃষকদের প্রদান করা হচ্ছে।
দৈনিক ইনাতগঞ্জ বার্তা
Leave a Reply