1. admin@inathganjbarta.com : inathganjbarta :
  2. iqbalpress02@gmail.com : ইকবাল তালুকদার : ইকবাল তালুকদার তালুকদার
  3. manna820@gmail.com : আলী জাবেদ মান্না। : আলী জাবেদ মান্না।
  4. masudsikdar26@gmail.com : Masud Sikdar : Masud Sikdar
শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ০২:৫২ পূর্বাহ্ন

মৌলভীবাজারে ঐতিহ্যবাহী ভাতের মেলা

  • আপডেটের সময়: শুক্রবার, ১৭ জানুয়ারী, ২০২৫
  • ১০৮ ভিউ

বিশেষ প্রতিনিধি।। মৌলভীবাজারের বাজারকোনায় বিগত ৭শত বছর ধরে অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে সাদা ভাতের মেলা। মানুষ তাদের নানান মানত করে সাদাভাত রান্না করে মাজারে নিয়ে দেন এবং ক্ষীর মিশিয়ে দিনভর এই ভাতের সিরণী বিতরণ করা হয়। শুধু ভাত বিতরণ নয় এ উপলক্ষে বিভিন্ন পসরা নিয়ে বসে বিশাল মেলা।

হযরত শাহ মঈন উদ্দিন (রহ.) মাজারের মোতাওয়াল্লী মোঃ আজাদ মিয়া জানান, প্রায় ৭শত বছর আগে মৌলভীবাজার সদর উপজেলার মনুমুখ ইউনিয়নের বাজরাকোনায় ৩৬০ আউলিয়ার অন্যতম সফরসঙ্গী হযরত শাহ্ মইন উদ্দিন (রহ.) এর আগমন ঘটে। এই পীর ছিলেন অলৌকিক গুনের অধিকারী। মানুষ আপদে বিপদে ছুটে যেতেন তার কাছে। ওই (৭শতবছর) সময় তার আস্তানা ঘিরে একটি গরু জবাই করে সিরণীর আয়োজন করা হয়। সিরণী চলাকালে ওই গরুর মালিক গরুর সিং ও চামরা দেখে এসে বলেন এই গরুটি তার ছিল এবং এটি চুরি করে আনা হয়েছে। পীর সাহেব আধ্যাতিক বলে গরুটিকে জীবিত করে মালিককে ফিরিয়ে দিয়ে গ্রামবাসীকে বলেন এখন থেকে তাদের সকল সিরণী হবে রক্তওয়ালা কোন কিছু জবাই না করে।

এর পর থেকে এখানে শুধু সাদাভাত দিয়ে তার সাথে ক্ষির মিশ্রন করে সিরণী হয়ে আসছে।

মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির আহব্বায়ক কমিটির সদস্য প্রাক্তন উপজেলা চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান মিজান বলেন, ৩৬০ আউলিয়ার অন্যতম সফরসঙ্গী হযরত শাহ্ মইন উদ্দিন (রহ.) মাজারকে ঘিরে প্রতি বছর মাঘ মাসের প্রথম বুধবার পবিত্র ওরুস মোবারক ও ভাতের মেলার আয়োজন করা হয়। যেথানে আগমন ঘটে হাজার হাজার মানুষের।

তবে সিরণী বুধবারে শেষ হয়ে গেলেও আজও চলছে মেলা । এ মেলার অন্যতম বৈশিষ্ট্য হচ্ছে মাজারে হাজার হাজার নারী-পুরুষ ছোট বড় হাঁড়ি-পাতিল ভর্তি সাদাভাত আর ক্ষীর নিয়ে আসেনে এবং মাজারের পাশে রাখা বড় দুইট পাত্রে তা সংগ্রহ করা হয়। পরে হাজার হাজার মানুষের মাঝে সুশৃঙ্খলভাবে এ শিরণী হিসেবে বিতরণ করা হয়।

গ্রামবাসী রহিম মিয়া ও কামাল উদ্দিন জানান, তারা বিশ্বাস করেন এই শিরণী খেলে রোগ-বালাই দূর হয়। তাই তারা এই শিরণী খান এবং অনেকে বাড়িতেও নিয়ে যান।

-বাজরাকোনা জামে মসজিদের সহ-সভাপতি সুমন বক্স আনসারী বলেন, এখানে যেকোন নেক নিয়ত করে আসলে নিয়ত কবুল হয়। এরই ধারাবাহিকতায় দূরদুরান্ত থেকে মানুষ এখানে আসেন। আর গ্রামবাসীর সম্মিলিত আয়োজনে তা করা হয়। তিনি বলেন এ ভাতের মেলার জন্য ভাত নিয়ে আসতে কাউকে বলতে হয়না। মানুষ এমনিতেই নিয়ে আসেন। এখানে প্রতিবছরই ১৫ থেকে ২০ হাজার মানুষের খাবার জমে যায়। শতাধিক স্বেচ্ছাসেবক এই সিরণী বিতরণে নিয়োজিত থাকেন।

 

দৈনিক ইনাতগঞ্জ বার্তা / ইকবাল

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা অথবা ভিডিও কপি করা সম্পূর্ণ বেআইনি @2025
Desing & Developed BY ThemeNeed.com