বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে ফিরতে আর আইনি কোনো বাধা নেই। তবে দিনক্ষণ অনেকটা নির্ভর করছে বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতার ওপর। বিষয়টি জানান বিএনপির আইনবিষয়ক সম্পাদক কায়সার কামাল। শিগগিরই দেশে ফেরার আশা দলটির কেন্দ্রীয় নেতাদের।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে ফিরতে আর আইনি কোনো বাধা নেই। তবে দিনক্ষণ অনেকটা নির্ভর করছে বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতার ওপর। বিষয়টি জানান বিএনপির আইনবিষয়ক সম্পাদক কায়সার কামাল। শিগগিরই দেশে ফেরার আশা দলটির কেন্দ্রীয় নেতাদের।
গণঅভ্যুত্থানের পর তারেক রহমান একে একে নির্দোষ প্রমাণিত হন প্রায় সব মামলায়। তাতে জনমনে আবারও জোরালো হচ্ছে তারেক রহমানের দেশে ফেরার প্রসঙ্গটি। অধীর আগ্রহে অপেক্ষমাণ বিএনপির লাখো নেতাকর্মী। কেন্দ্রীয় নেতারা বলছেন, শিগগিরই দেশে ফিরবেন তিনি।
বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি বলেন, ‘এই সময়টা মায়ের জন্য দিচ্ছেন দিবেন। যা আমরা স্বাভাবিক কারণে প্রত্যাশা করতে পারি। তিনি যে দেশে আছেন সেখানেও একটা আইনি প্রক্রিয়া আছে। সব কিছু মিলিয়ে আমরা আইনি প্রক্রিয়ায় আছি। খুব দ্রুত তিনি আসবেন।’
তারেক রহমানের দেশে ফিরতে আইনি বাধা কোথায়? জানতে চাই বিএনপির আইনবিষয়ক সম্পাদক কায়সার কামালের কাছে।
তিনি বলেন, ‘দেশে ফিরতে আইনি কোনো বাধা নেই। তবে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সুস্থতার ওপর নির্ভর করে দিনক্ষণ।’
রাজনৈতিক প্রতিহিংসা আর সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যেই মামলা দেয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
তিনি বলেন, ‘তারেক রহমান এই দেশে জন্মগ্রহণ করে পাসপোর্ট পেয়েছিলেন। কিন্তু সেই পাসপোর্ট পর্যন্ত নবায়ন ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা করেনি। সামাজিকভাবে যে হেয়প্রতিপন্ন করা হয়েছিল অর্থাৎ শেখা হাসিনা সংসদে দাঁড়িয়ে অহরহ মিথ্যা কথা বলতেন।’
বিচারাধীন অর্থপাচারসহ বড় বাকি ২টি মামলা থেকে শিগগিরই তারেক রহমানের আইনগতভাবে মুক্তির আশা এই আইনজীবীর। এছাড়া তারেকের বিরুদ্ধে আরও ১২টি রাজনৈতিক মামলা রয়েছে বলে দাবি বিএনপির এই সিনিয়র আইনজীবীর।
Leave a Reply