1. admin@inathganjbarta.com : inathganjbarta :
  2. iqbalpress02@gmail.com : ইকবাল তালুকদার : ইকবাল তালুকদার তালুকদার
  3. manna820@gmail.com : আলী জাবেদ মান্না। : আলী জাবেদ মান্না।
  4. masudsikdar26@gmail.com : Masud Sikdar : Masud Sikdar
শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ০২:৪৭ পূর্বাহ্ন

রিসোর্টে ১২ তরুণ-তরুণীকে আটকের পর বিয়ে দিলেন এলাকাবাসী

  • আপডেটের সময়: রবিবার, ১৯ জানুয়ারী, ২০২৫
  • ১০১ ভিউ

সিলেটের দক্ষিণ সুরমা উপজেলার একটি রিসোর্ট থেকে ১২ তরুণ-তরুণীকে আটক করেন স্থানীয় এলাকাবাসী। পরে এদের মধ্যে ৮জনকে এলাকাবাসীর উদ্যোগে বিয়ে দেওয়া হয়। আর বাকী ৪ জনকে অভিভাবকেদের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়।

 

রোববার দুপুরে দক্ষিণ সুরমার সিলাম এলাকার রিজেন্ট পার্ক এন্ড রিসোর্টে এমন ঘটনা ঘটে। পুলিশের উপস্থিতিতেই এমন ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে। এ ঘটনার পর রাতে ওই রিসোর্ট বন্ধ ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার কয়েকজন প্রেমিকা-প্রেমিকা রিজেন্ট পার্ক এন্ড রিসোর্টে বেড়াতে যান। ‘অসামাজিক কাজ’ চলছে এমন অভিযোগ তুলে সিলাম এলাকার শতাধিক লোক বিকেলে ওই রিসোর্টে অভিযান চালান। এসময় তারা রিসোর্টের ৬ টি কক্ষ থেকে ৬ জোড়া তরুণ-তরুণীকে আটক করেন। আটককৃতদের বয়ষ ১৬ থেকে ২২ বছরের মধ্যে। তাদের একটি কক্ষে আটকে রাখেন এলাকার লোকজন।

পরে পুলিশকে খবর দেয়া হলে মোগলাবাজার থানার একটি দল ঘটনাস্থলে যায়।

 

একাধিক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, তরুণ-তরুণীকে আটকের পর জড়ো হওয়া এলাকার লোকজন উত্তেজিত হয়ে পরেন। ওই রিসোর্ট এলাকার পরিবেশ নষ্ট করছে এমন অভিযোগ তুলে তারা রিসোটর্টটি এবং আটক তরুণ-তরুণীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানান।

পরে এলাকার একাধিক মুরব্বী ঘটনাস্থলে হাজির হয়ে আটক করা তরুণ-তরুণীদের বিয়ে করানোর উদ্যোগ নেন। তার আগেই আটক তরুণ-তরুণীদের অভিভাবেদের খবর দেওয়া হয়। অভিভাবকরা আসার পর সন্ধ্যার দিকে আটকদের মধ্যে ৪ তরুণের সাথে ৪ জন তরুণীর বিয়ে পড়ানো হয়। বিয়ের দেনমোহর ধার্য করা হয় ১০ লাখ টাকা। বাকী ৪ তরুণ-তরুণীর বিয়ের বয়স না হওয়ায় তাদের অভিভাকদের জিম্মায় দেওয়া হয়।

মোগলাবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. খন্দকার মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, কয়েকজন তরুণ-তরুণীকে আটকের খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে যাই। পরে এলাকার মুরুব্বিরা তাদের অভিভাবকদের খবর দেন। অভিভাবদের সম্মতিতে কয়েকজনের বিয়ে দেওয়া হয় বলে শুনেছি।

 

এক প্রশ্নের জবাবে সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ কমিশনার (গণমাধ্যম) সাইফুল ইসলাম বলেন, কেউ অপরাধ করে থাকলে পুলিশ তাকে ধরে আনবে। আদালত বিচার করবে। কিন্তু আটকের পর বিয়ে পড়ানোর কোন আইন নেই।

 

তিনি বলেন, এ বিষয়ে আমি বিস্তারিত জানি না। শুনেছি আটকদের মধ্যে ৮ জনের বিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিভাবে এটি করা হলো তা খোঁজ নিচ্ছি।

 

এ ব্যাপারে রিজেন্ট পার্ক এন্ড রিসোর্টের কারো বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি। তবে সন্ধ্যারপির রিসোর্টটির ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে জানানো হয়- ‘অনিবার্য কারণবশত আমাদের রিসোর্টের সকল কার্যক্রম অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ থাকিবে।

 

সুত্রঃ সিলেট টুডে / ইকবাল

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা অথবা ভিডিও কপি করা সম্পূর্ণ বেআইনি @2025
Desing & Developed BY ThemeNeed.com