1. admin@inathganjbarta.com : inathganjbarta :
  2. iqbalpress02@gmail.com : ইকবাল তালুকদার : ইকবাল তালুকদার তালুকদার
  3. manna820@gmail.com : আলী জাবেদ মান্না। : আলী জাবেদ মান্না।
  4. masudsikdar26@gmail.com : Masud Sikdar : Masud Sikdar
শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ০২:৫৯ পূর্বাহ্ন

খোশ আমদেদ মাহে রমজান

  • আপডেটের সময়: সোমবার, ১৭ মার্চ, ২০২৫
  • ৩০ ভিউ

ইনাতগঞ্জ বার্তা ডেস্কঃ আজ ১৬ রমজান। রমজান মাস সিয়ামের মাস। সিয়ামের মাধ্যমে নফসের সঙ্গে জিহাদ করা হয়। জিহাদ শব্দের অর্থ চেষ্টার পর চেষ্টা করা, সংগ্রাম করা, পরিশ্রম করা। আমরা লক্ষ্য করি প্রিয়নবী সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়াসাল্লামের মক্কার জীবনে যখন তিনি ইসলামের প্রচার করছেন। তখন নানা দিক দিয়ে তার উপর বাঁধা আসছে, তার এবং তাঁর লোকজনের উপর অত্যাচার, জুলুম, নিপীড়ন চলছে, তাঁর এবং তাঁর লোকজনকে নানাভাবে কষ্ট আর কষ্ট দেয়া হচ্ছে তখনও কিন্তু অস্ত্র যুদ্ধ বা কিতাবের হুকুম আসেনি। মদিনা মনওয়ারায় হিজরত করে আসার পর যখন মক্কার কাফির মুশফিক এবং মদিনার ইহুদি ও মোনাফিকরা জোট বেধে মদিনা আক্রমণ করার পায়তারা শুরু করল এবং সীমান্তবর্তী এলাকায় এসে নানা ধরণের অত্যাচার করতে লাগল, এমনকি লুটতরাজ করতে লাগল এবং বিপুল অস্ত্রশস্ত্র যোগার করতে তাদের নেতা আবু সুফিয়ান সিরিয়ায় গমন করলো তখন আল্লাহ জাল্লা শানুহু প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়াসাল্লামের সশস্ত্র যুদ্ধ (কিতাল) করবার নির্দেশ দিলেন। কোরান মজিদে কিতাল বা সশস্ত্র যুদ্ধ সংক্রান্ত একখানি আয়াতের কারিমায় ইরশাদ হয়েছে ঃ যারা তোমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ (কিতাল) করে তোমরাও আল্লাহর পথে (ফিসাবিলিল্লাহ) তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ কর, কিন্তু সীমা লঙ্ঘন কর না। আল্লাহ সীমা লঙ্ঘনকারীদেরকে ভালবাসেননা। (সুরা বাকারা ঃ আয়াত ১৯০)। মক্কা মুয়াজ্জামায় ১৩ বছর কাফিররা মুমিনদের ওপর অকথ্য অত্যাচার করা সত্ত্বেও তাঁদের আত্মরক্ষার জন্য যুদ্ধ করার অনুমতি দেয়া হয়নি। মদীনা মনওয়ারায় হিজরত করে আসারও প্রায় ২ বছর পর ৬২৪ খ্রিষ্টাব্দের ফেব্রুয়ারি মাসের শেষের দিকে অথবা মার্চ মাসের প্রথম দিকে সেই মোতাবেক দ্বিতীয় হিজরীর শাবান মাসের শেষের দিকে অথবা মাহে রমজানের প্রথম দিকে কিতাল (সশস্ত্র যুদ্ধ) এর অনুমতি নাজিল হয়। আল্লাহ্ জাল্লা শানুহু ইরশাদ করেন ঃ যুদ্ধের (কিতালের) অনুমতি দেয়া হলো তাদের যারা আক্রান্ত হয়েছে, কারণ তাদের প্রতি অত্যাচার করা হয়েছে। আল্লাহ নিশ্চয়ই তাদের সাহায্য করতে সৈম্যক সক্ষম। (সুরা হজ্জ ঃ আয়াত ২২) কুতিবা আলায়কুমুল কিতাল তোমাদের জন্য দেয়া হলো যুদ্ধের বিধান। (সুরা বাকারা ঃ আয়াত ২১৫)। ইসলামে জিহাদুল আকবর বা বড় যুদ্ধ করা হয়েছে নিজের প্রবৃত্তির সঙ্গে যুদ্ধ করাকে। প্রিয় নবী (সাঃ) একবার এক যুদ্ধাভিযান থেকে ফিরে এসে সাহাবায়ে ক্বেরামকে বলেন ঃ দেখ আমরা ছোট জিহাদ (অস্ত্রের যুদ্ধ) থেকে বড় জিহাদে (নফসের সাথে যুদ্ধে) ফিরে এসেছি। নিজের প্রবৃত্তির সঙ্গে যুদ্ধ করা হচ্ছে কঠিন যুদ্ধ। কিতাল বিধান নাজিল করার পর পরই ২ হিজরীর ১৭ রমজান মোতাবেক ৬২৪ খ্রিষ্টাব্দের ১৭ মার্চ শুক্রবার বদর যুদ্ধ সংগঠিত হয়। এখানে উল্লেখ্য যে, প্রিয় নবী (সাঃ) যেসব যুদ্ধে কিংবা অভিযানে নেতৃত্ব দিয়েছেন সেগুলোকে গাযাওয়া বলে, এই গাযাওয়ার সংখ্যা ২৯টির মতো। আর প্রিয় নবী (সাঃ) এর নির্দেশে কোন সাহাবির নেতৃত্বে যেসব যুদ্ধ বা ছোট ছোট অভিযান সংগঠিত হয়েছে সেগুলোকে বলে সারিয়া। সারিয়ার সংখ্যা ৬৪টির মতো।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা অথবা ভিডিও কপি করা সম্পূর্ণ বেআইনি @2025
Desing & Developed BY ThemeNeed.com