1. admin@inathganjbarta.com : inathganjbarta :
  2. iqbalpress02@gmail.com : ইকবাল তালুকদার : ইকবাল তালুকদার তালুকদার
  3. manna820@gmail.com : আলী জাবেদ মান্না। : আলী জাবেদ মান্না।
  4. masudsikdar26@gmail.com : Masud Sikdar : Masud Sikdar
শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ১২:৩০ অপরাহ্ন

বাতিল হচ্ছে হবিগঞ্জের ৫ পৌরসভা?

  • আপডেটের সময়: রবিবার, ২৬ জানুয়ারী, ২০২৫
  • ১২১ ভিউ

৫০ হাজারের চেয়ে কম জনসংখ্যার পৌরসভাকে বাতিলের সুপারিশ করতে যাচ্ছে স্থানীয় সরকার সংস্কার কমিশন। এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হলে হবিগঞ্জেরও ৪ থেকে ৫টি পৌরসভা বাতিল হতে পারে। কমিশন মাঠ পর্যায়ে মতামত নেওয়াসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ও রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা শেষ করেছে গত বুধবার। এখন চলছে সংকলন কার্যক্রম। এরপর আরেক দফা যাচাই-বাছাই শেষে প্রতিবেদন ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে জমা দেওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

 

হবিগঞ্জে ৫০ হাজারের কম ভোটারের পৌরসভাগুলো হল- নবীগঞ্জ, শায়েস্তাগঞ্জ, মাধবপুর, চুনারুঘাট ও আজমিরীগঞ্জ পৌরসভা। সংস্কার কমিশনের সদস্যদের বরাতে জাতীয় গণমাধ্যম বলছে, ৫০ হাজারের চেয়ে কম জনসংখ্যা এসব পৌরসভার বেশির ভাগ আজমিরীগঞ্জ পৌরসভার ভোটার এলাকা জটিলতায় নির্বাচন হয়নি গত দেড়যুগেও অতীতে দলীয় নেতাদের পুনর্বাসনের জন্য করা হয়েছে। এ ধরনের পৌরসভায় কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মাসের পর মাস বেতন বকেয়া থাকে। এ ধরনের প্রায় শ’খানেক পৌরসভাকে ইউনিয়নের সঙ্গে একীভূত করার সুপারিশ করবে কমিশন।

 

সর্বশেষ নির্বাচনের তথ্য অনুযায়ী নবীগঞ্জ পৌরসভায় ভোটার সংখ্যা ২০ হাজারের কিছু বেশি, শায়েস্তাগঞ্জ পৌরসভায় ১৮ হাজার, মাধবপুরে ১৬ হাজার, চুনারুঘাট পৌরসভায় ১৭ হাজার ও আজমিরীগঞ্জ পৌরসভায় ভোটার রয়েছে প্রায় ১০ হাজার।

 

সংস্কারের উদ্যোগ বাস্তবায়ন হলে এ ৫টি পৌরসভা বাতিল হতে পারে। এর মধ্যে ৪টি পৌরসভায় নিয়মিত ভোট হলেও আজমিরীগঞ্জ পৌরসভার ভোটার এলাকা জটিলতায় নির্বাচন হয়নি গত দেড়যুগেও।

 

তবে, ২০২১ সালের নির্বাচনে হবিগঞ্জ পৌসভায় ভোটার সংখ্যা ছিল ৫০ হাজারের বেশি। ফলে এ পৌরসভা বাতিল হওয়ার শঙ্কা নেই।

 

সংস্কার কমিশন সূত্র আরও বলছে, ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্যদের (মেম্বার) ভোট দিয়ে নির্বাচিত করবেন ভোটাররা। আর ইউপি সদস্যরা ভোট দিয়ে একজনকে চেয়ারম্যান নির্বাচিত করবেন। চেয়ারম্যানকে অবশ্যই স্নাতক ডিগ্রিধারী হতে হবে। তা না হলে তিনি চেয়ারম্যান হতে পারবেন না। একইভাবে ইউপি সদস্যদের মধ্য থেকে একজনকে সভাধ্যক্ষ নির্বাচিত করা হবে। তাঁকেও স্নাতক ডিগ্রিধারী হতে হবে। একই পদ্ধতিতে সিটি করপোরেশন ও পৌরসভায় সরাসরি ভোটে মেয়র নির্বাচিত হতে পারবেন না। কাউন্সিলরদের ভোটের মাধ্যমে মেয়র ও সভাধ্যক্ষ নির্বাচিত হবেন। ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও পৌরসভার মেয়রদের দায়িত্ব হবে সার্বক্ষণিক। ইউপি চেয়ারম্যানদের বেতন হবে উপজেলা পর্যায়ের প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তার সমান। পৌরসভার মেয়রের বেতন হবে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সমান। সিটি করপোরেশনের মেয়রের বেতন হবে প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের ওপরে। চেয়ারম্যান বা মেয়রদের কেউ স্নাতক ডিগ্রিধারীর নিচে হতে পারবেন না।

 

সুত্রঃ হবিগঞ্জ২৪

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা অথবা ভিডিও কপি করা সম্পূর্ণ বেআইনি @2025
Desing & Developed BY ThemeNeed.com